Wednesday, January 28, 2026

কম্পিটিটিভ পরীক্ষা নাকি স্কিল, কাকে ভরসা করতে হবে, জেনে নিন

 

কম্পিটিটিভ পরীক্ষা নাকি স্কিল, কাকে ভরসা করতে হবে, জেনে নিন


কলেজ স্ট্রিট, রাজ্য, ২৮/০১/২০২৬ : 📚 কম্পিটিটিভ পরীক্ষার যুগ শেষ, এখন স্কিলই আসল প্রতিযোগিতা

একটা সময় ছিল, ভালো চাকরি মানেই সরকারি চাকরি। আজও কম্পিটিটিভ পরীক্ষার গুরুত্ব কমেনি, কিন্তু বাস্তবতা বদলে গেছে। লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী, হাতে গোনা আসন—এই অসম লড়াইয়ে শুধু বই মুখস্থ করে টিকে থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

আজকের যুগে প্রশ্ন একটাই—আপনি কী পারেন?

🎯 কম্পিটিটিভ এক্সাম কেন যথেষ্ট নয়

UPSC, WBCS, SSC, Banking—সব পরীক্ষাতেই প্রতিযোগিতা ভয়ংকর। বছরের পর বছর প্রস্তুতি নিয়েও অনেক মেধাবী যুবক আটকে যাচ্ছেন। কারণ চাকরির বাজার এখন শুধু সার্টিফিকেট নয়, স্কিল খুঁজছে।

🧠 স্কিল কী? শুধু কম্পিউটার জানা নয়

স্কিল মানে—

  • কমিউনিকেশন

  • সমস্যা সমাধান করার ক্ষমতা

  • ডিজিটাল টুল ব্যবহার

  • কনটেন্ট তৈরি, ডিজাইন, মার্কেটিং

  • ডেটা বোঝা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া

এই স্কিলগুলো বইয়ে শেখানো হয় না, কিন্তু চাকরি দেয়।

🔧 আজকের দিনে কোন স্কিলগুলো সবচেয়ে জরুরি

  • Digital Marketing

  • Content Writing & Editing

  • Video Editing / YouTube Skills

  • Basic Coding / AI Tools ব্যবহার

  • Sales, CRM, Client Handling

এই স্কিলগুলো থাকলে আপনি শুধু চাকরিপ্রার্থী নন, চাকরি-দাতা হওয়ার ক্ষমতাও রাখেন

⚖️ তাহলে কি কম্পিটিটিভ এক্সাম বাদ?

একদমই না।
বরং স্মার্ট পথ হল—
👉 কম্পিটিটিভ এক্সামের প্রস্তুতির পাশাপাশি স্কিল গড়া।
এতে আপনি দু’দিক থেকেই নিরাপদ থাকবেন—

  • পরীক্ষা হলে ভালো

  • না হলেও আয় করার রাস্তা বন্ধ নয়

🚀 স্কিল আপনাকে স্বাধীনতা দেয়

স্কিল থাকলে আপনি—

  • ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন

  • নিজের উদ্যোগ শুরু করতে পারেন

  • বাড়ি বসে আয় করতে পারেন

  • চাকরির জন্য শহর ছাড়তে বাধ্য নন

এই স্বাধীনতাই নতুন যুগের আসল সাফল্য।

🔔 শেষ কথা

আজকের প্রতিযোগিতা শুধু পরীক্ষার হলে নয়, জীবনের ময়দানে।
যে যত বেশি শিখছে, নিজেকে আপডেট করছে, সে ততটাই এগিয়ে।

📌 কম্পিটিটিভের সঙ্গে স্কিল—এই কম্বিনেশনই ভবিষ্যতের আসল সিলেবাস।

Tuesday, January 13, 2026

WBCS / PSC পরীক্ষায় বসার জন্যে বাস্তব টিপস

 

WBCS / PSC পরীক্ষায় বসার জন্যে বাস্তব টিপস


কলেজ স্ট্রিট, ১৩/০১/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে জনপ্রিয় সরকারি চাকরির পরীক্ষা হল WBCS (West Bengal Civil Service). প্রতি বছর হাজার হাজার পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন।  কিন্তু প্রথম সমস্যাটাই হয় -- কোন বই পড়ব ? 

কলেজ স্ট্রিট বহু বছর ধরেই পরীক্ষার্থীদের ভরসার জায়গা। কিন্তু সঠিক গাইড না থাকলে এখানে গিয়ে বই কিনলেও অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় বই জমে যায়।  এই লেখায় আমরা সহজ ভাষায় জানবো --

  • WBCS / PSC পরীক্ষার স্ট্রাকচার।
  • কোন বিষয়ের জন্যে কোন ধরনের বই দরকার। 
  • কলেজ স্ট্রিট থেকে বই কিনলে কিভাবে ভুল এড়াবেন  .

WBCS / PSC পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত কাঠামো :

  1. Preliminary Examination (Objective)
  2. Mains Examination (Written)
  3. Interview / Personality Test
প্রত্যেক ধাপেই বইয়ের ধরণ আলাদা হওয়ার দরকার আছে. 

Preliminary পরীক্ষার জন্যে কোন বই পড়বেন ? 

History -- ১) প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক ভারতের সংক্ষিপ্ত বই , ২) বই এমন হওয়া  দরকার যেখানে MCQ প্রাকটিস আছে.

কলেজ স্ট্রিটে সাধারণত পরীক্ষার্থীরা যে বইগুলো নেন -- 

  • Objective History 
  • সংক্ষিপ্ত ইতিহাস গাইড 

Geography -- 

  • Physical + Indian Geography 
  • Map based প্রশ্নের জন্যে আলাদা অনুশীলন জরুরী 
বই কেনার সময় দেখে নেবেন - 

  • MAP  আছে কি না 
  • MCQ  সেকশন আছে কিনা 
Polity --

  • Indian Constitutionএর basic বই.
  • West Bengal specific polity note থাকলে ভালো 
Economy -- 

  • Basic Indian Economy 
  • West Bengal Budget ও Economic Survey আলাদা করে পড়তে হবে 

Mains পরীক্ষার জন্যে আলাদা করে কি পড়বেন ? 

Preliminary র বই দিয়ে Mains  পাশ করা যায় না ।  Mains এর জন্যে দরকার --

  • Descriptive Answer  লেখার practice 
  • Current Affairs Integration
  • Topic wise notes

কলেজ স্ট্রিটে পাওয়া যায় -- 

  • Mains Answer Writing Guide 
  • Model Answer বই 
  • Optional Subject এর আলাদা Reference Book 

Optional বিষয় বাছাই : কলেজ স্ট্রিট থেকে কিভাবে করবেন ? 

অপশনাল বিষয় বাছাইয়ের সময় দেখুন -- 

  1. আপনার Graduation Subject
  2. কলেজ স্ট্রিটে বই সহজে পাওয়া যায় কি না 
  3. Coaching ও Guidance available কি না 
মনে রাখবেন, ভুল Optional  নিলে বছর নষ্ট হতে পারে।

কলেজ স্ট্রিট থেকে বই কেনার সময় ৫টা  বাস্তব টিপস -- 

  • একদিনে সব বই কিনবেন না 
  • দোকানদারের সাথে কথা বলুন, কিন্তু অন্ধবিশ্বাস করবেন না. 
  • Pre  এবং Mains এর বই আলাদা রাখুন 
  • একাধিক বই না কিনে একটা সঠিক বই বেছে নিন 
  • Budget  ঠিক করে নিন 
Coaching  নেবেন, নাকি Self  Study ?

Self Study  ভালো যদি -- নিয়মিত পড়ার অভ্যাস থাকে। সঠিক বই ও PYQ  Analysis করা থাকে।  Coaching দরকার যদি -- সিলেবাস বুঝতে সমস্যা হয় এবং Answer Writing  দুর্বল হয়.

অনেক পরীক্ষার্থীই Hybrid মডেল ফলো  করেন।

শেষ কথা --

WBCS  / PSC  প্রস্তুতি মানে শুধু বই জমানো নয়। সঠিক বই + সঠিকপরিকল্পনাই  সাফল্যের চাবিকাঠি। কলেজ স্ট্রিট আপনাকে বই দেবে, কিন্তু কোন বই পড়বেন -- সেই সিদ্ধান্ত কিন্তু আপনাকেই নিতে হবে।


WBCS  Complete Book List + Study Planner PDF @Rs. 99/- Only 

WBCS Coaching / Guidance চাইলে এখানে ফর্ম ফিল আপ করুন -

Name : 

Address : 

Course : 

Phone No. :  

Enrolment  No . 

লিখে What's App করতে হবে - 8420807020 নম্বরে 




Monday, January 5, 2026

পড়ুয়া শূন্য স্কুলের সংখ্যায় পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয় স্থানে

পড়ুয়া শূন্য স্কুলের সংখ্যায় পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয় স্থানে


কলেজ স্ট্রিট (বাংলা) [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত,০৫/০১/২০২৬  :  দেশে এই মুহূর্তে পাঁচ হাজারেরও বেশি এমন স্কুল আছে, যে সব স্কুলে কোনো ছাত্র ছাত্রী নেই।   পড়ুয়া ছাড়াই সেই স্কুলগুলির অস্তিত্ব রয়েছে। আর এই ধরণের স্কুলের সংখ্যা সব চেয়ে বেশি রয়েছে তেলেঙ্গানা এবং পশ্চিমবঙ্গের মত রাজ্য গুলিতে। 

সরকারি সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে যে, দেশে এই মুহূর্তে ৫,১৪৯টি স্কুল রয়েছে, যে স্কুলে একটিও পড়ুয়া নেই. কোনো এনরোলমেন্ট নেই।  এইরকম স্কুলের সংখ্যা তেলেঙ্গানায় রয়েছে ২,০৮১টি এবং পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে মোট ১,৫৭১টি।   এনরোলমেন্ট নেই এমন স্কুলের অস্তিত্বের দিক থেকে দেশে প্রথম তেলেঙ্গানা এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। 

সরকারি সূত্রটি জানাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে পড়ুয়া শূন্য স্কুলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রয়েছে রাজধানী কলকাতাতেই। কলকাতার মত শহরে পড়ুয়া শূন্য স্কুলের সংখ্যা ২১১টি ।  এই সংখ্যার দিক থেকে কলকাতার স্থান পড়ুয়া শূন্য স্কুলের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।  কলকাতার পরেই থাকছে পূর্ব মেদিনীপুর (১৭৭টি) এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের (১৪৭ টি) নাম. বিষয়টি সত্যিই চিন্তার।

গত কয়েক বছরে এই পড়ুয়া শূন্য (NO enrolement ) স্কুলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ২৪%,  এক্ষেত্রে কিছু স্কুলে এনরোলমেন্টের সংখ্যা ১০ বা তার কমও হতে পারে। আমাদের দেশে জট স্কুল আছে, তার মধ্যে পড়ুয়া শূন্য স্কুলের পরিমাণ ৬.৪২%. পশ্চিমবঙ্গে মোট ৬৭০৩টি সরকারি স্কুল রয়েছে, যেখানে মোট ২৭ হাজার ৩৪৮ জন শিক্ষকতা করছেন।  সেক্ষেত্রে হিসেবে  এই রাজ্যে প্রতি স্কুলে গড়ে ৪ জন করে শিক্ষক রয়েছেন। অথচ প্রতিবেশী রাজ্য বিহারেও প্রতি স্কুলে (স্ব করি)  গড়ে ৫ জন করে শিক্ষক শিকতা করেন। গোটা বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। 

Tuesday, March 14, 2023

শুরু হতে চলেছে মহাকাশ গবেষণা নিয়ে নতুন কোর্স

শুরু হতে চলেছে মহাকাশ গবেষণা নিয়ে নতুন কোর্স


কলেজ স্ট্রিট, শিক্ষা সংবাদ, ১৪/০৩/২০২৩ : ডিপার্টমেন্ট অফ আস্ট্রোনমি, আস্ট্রোফিজিক্স এবং স্পেস ইনজিয়ানিয়ারিং (DAASE ) এবং আই আইটি ইন্দোর যৌথভাবে শুরু করতে চলেছে মহাকাশ বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর নতুন কোর্স। ২০২৩-২৪ সালে অন  ডিম্যান্ড এই নতুন কোর্সটি চালু হতে যাচ্ছে।

জয়েন্ট এন্ট্রান্স বা এডভান্স এন্ট্রান্স পরীক্ষার মাধ্যমে মাত্র ২০ জন (প্রতি ব্যাচে) এই কোর্স করার সুযোগ পাবেন বলে জানা গিয়েছে। নির্বাচিত সফল পড়ুয়ারা নিম্নলিখিত বিষয়গুলি নিয়ে প্রজেক্ট করার সুযোগ পাবেন। প্রজেক্টগুলি হল স্পেস ইন্সট্রুমেন্টেশান - ডিটেক্টর্স ও পেলোড, ইম্যাজিং ও ডাটা এনালিটিক্স, রিমোট সেন্সিং ও এটমোস্ফেরিক ইঞ্জিনিয়ারিং, এস্ট্রোনমি ও এস্ট্রোফিজিক্স।

কোর্সের শেষে অর্থাৎ ৪ বছর পর পড়ুয়াদেরকে চূড়ান্ত গবেষণার কাজ করতে পাঠানো হবে।  বিশেষ করে পে লোড বিভাগে, ছোটখাটো স্যাটেলাইট এবং ডিটেক্টর তৈরির কাজে নিয়োগ করা হবে. এছাড়াও থাকবে ডাটা এনালিটিক্সের কাজ, হাই এন্ড নিউমেরিক্যাল সিমুলেশনের কাজ. এছাড়াও থাকবে ক্লাইমেট চেঞ্জ, ইকোলজি, সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট, আর্থ অবজারভেশন, ডিফেন্স, কমিউনিকেশন এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণার কাজ। 

Tuesday, June 23, 2020

আধ্যাত্মিকতায় ভরপুর মহর্ষি রমন ও শ্রী শ্রী আনন্দময়ী মা

সাহিত্য

কলেজ স্ট্রীট, কলকাতা, ২৩/০৬/২০২০ :  বইয়ের নাম 'মহর্ষি রমন ও শ্রী শ্রী আনন্দময়ী মা.' এটি একটি আধ্যাত্মিক বই।  এই  বইতে ভারত সাধিকা আনন্দময়ী মায়ের অনেক না জানা কথা যেমন জানা যায়, তেমনই আর এক প্রণম্য সাধু রমনের সম্বন্ধেও জানা যায়। 
এই বই সাধু রমনেই জীবিতকালেই লেখা হয়েছিল। হয়ত সাধু রমন এই পুস্তক নিজে চোখে দেখেন নি, তবু এই বইয়ের লেখক শ্রী বিভুপদ কীর্ত্তি এই বই লেখার মাধ্যমে সাধু রমন ও আনন্দময়ী মা, দুজনেরই আশীর্বাদ পুস্ট হয়েছিলেন। আর সেই কথা স্বীকার করে গিয়েছেন লেখক নিজেই। এই বইয়ের পরতে পরতে রয়েছে নিখাদ আধ্যাত্মিকতা। এই বই সাধু রমন , আনন্দময়ী মা এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের বিবরণ সুন্দর ভাষায় তুলে ধরেছে। নানান অলৌলিক অভিজ্ঞতায় ভরপুর এই আধ্যাত্মিক বই 'মহর্ষি রমন ও শ্রী শ্রী আনন্দময়ী মা'।
'মহর্ষি রমন ও শ্রী শ্রী আনন্দময়ী মা' বইটির লেখক শ্রী বিভুপদ কীর্ত্তি। আনন্দময়ী মায়ের ভক্ত ছিলেন তিনি। তিনি এই বই বাংলা ভাষায় লিখেছিলেন। অথচ মহর্ষি রমন বাংলায় কথা বলতেন না। বাংলা ভাষায় পাঠ করার কথা তাঁর নয়। তা সত্ত্বেও একবার অলৌকিকভাবে বিভূপদের লেখা পাণ্ডুলিপি মহর্ষি রমনের পায়ের ওপর পড়ে  গিয়েছিল। সেই মুহূর্তেই এই বইয়ের পাণ্ডুলিপি মহর্ষি রমনের আশীর্বাদ ধন্য হয়েছিল। 

প্রকাশক - প্রাচী পাবলিকেশন্স, জয়দীপ রায়চৌধুরী, বাকসাড়া , হাওড়া।
মূল্য : 
প্রাপ্তিস্থান - 

Monday, June 22, 2020

নতুন ব্লগ 'কলেজ স্ট্রিট' আত্মপ্রকাশ করল

কলকাতা

কলেজ স্ট্রিট, কলকাতা, ২২/০৬/২০২০ : নতুন ব্লগ 'কলেজ স্ট্রিট' আত্মপ্রকাশ করল।  আমাদের এই নতুন ব্লগ যার লিঙ্ক  www.collegestreet.blogspot.com 
'কলেজ স্ট্রীট' ব্লগে আমরা  আমরা ভিউয়ারদের বই সম্বন্ধে সবরকম তথ্য দিতে থাকব। কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে প্রায় প্রতিদিন নতুন নতুন বই প্রকাশ করে চলেছেন প্রকাশকরা। কিন্তু বই প্রেমিক মানুষ সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পান না সব সময়।কলেজ স্ট্রিট ব্লগ আপনাকে প্রকাশকদের প্রকাশ করা সমস্ত বইগুলো সম্পর্কে জানাতে থাকবে। আমরা বই, তার বিষয়বস্তু, লেখক পরিচিতি, প্রাপ্তিস্থল ইত্যাদি সমস্ত তথ্য দিতে থাকব। 
জেনে রাখুন, গল্পের বইয়ের পাশাপাশি আমরা এই ব্লগে অন্যান্য বিষয়ের বইগুলি সম্বন্ধেও তথ্য দিতে থাকব যেমন, বিজ্ঞানভিত্তিক বই, ইতিহাস সমৃদ্ধ বই, নাটকের বই, পাঠ্য পুস্তক, উপন্যাস, কবিতার বই ইত্যাদি। অর্থাৎ সব রকম বইয়ের বিষয়ে আমরা তথ্য দিতে থাকব। পাশাপাশি কোন মাসে কোন পত্রিকা বা ম্যাগাজিন প্রকাশিত হল, আমরা সেইসব তথ্যও দিতে থাকব। এবার থেকে কলেজ স্ট্রিটে না গিয়েও আপনারা প্রতিদিন কলেজ স্ট্রিট পরিভ্রমন করতে পারবেন। আশা  করি আমাদের এই ব্লগ আপনাদের ভাল লাগবে।
 মেম্বার হতে পোস্টে লাইক করুন।

কলেজ স্ট্রিট 

কম্পিটিটিভ পরীক্ষা নাকি স্কিল, কাকে ভরসা করতে হবে, জেনে নিন

  কলেজ স্ট্রিট, রাজ্য, ২৮/০১/২০২৬ :  📚 কম্পিটিটিভ পরীক্ষার যুগ শেষ, এখন স্কিলই আসল প্রতিযোগিতা একটা সময় ছিল, ভালো চাকরি মানেই সরকারি চাকরি...